বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাম্প্রতিক সময়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, সমাবেশ ও মাঠ পর্যায়ের তৎপরতায় দলটির রাজনীতিতে নতুন গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের এখন জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা, সাংগঠনিক দুর্বলতা, এবং কিছু নেতার অনিয়ম বা অদক্ষতা—এসব কারণে দলটির জনপ্রিয়তা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বলেন,
“বিএনপি মাঠে ফিরেছে, এটা ইতিবাচক দিক। তবে শুধু সমাবেশ বা আন্দোলন নয়—জনগণের সমস্যার সমাধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দিতে পারলে আস্থা ফিরে আসবে।”
রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই মনে করেন, বিএনপি যদি গণমানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবমুখী কর্মসূচি ঘোষণা করে এবং সেগুলো ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্ত হবে।
অন্যদিকে সাধারণ জনগণের একটি অংশ বলছে, তারা পরিবর্তন চায়, কিন্তু বিকল্প নেতৃত্বের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে চায় সাবধানে। তাদের মতে, বিএনপি যদি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে পারে, তবে ভবিষ্যতের নির্বাচনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিএনপির সামনে এখন দুটি দায়িত্ব—
১'গণসংযোগ বাড়ানো ও সাংগঠনিক ঐক্য ফিরিয়ে আনা।
২'জনগণের সমস্যার সমাধানমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।
সব মিলিয়ে, বিএনপির রাজনীতিতে নতুন প্রাণ এসেছে, তবে আস্থা ও বিশ্বাসের রাজনীনতি ফিরিয়ে আনা এখনই তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।