ভোগান্তি পথচারীদের। পহেলা রোজায়। রকম যানবাহন সংকট দেখা গেল। দাঁড়িয়ে রয়েছে হাজারো যাত্রী
সাগর বাদশা
কেন এই তীব্র ভোগান্তি?
অফিস সময় পরিবর্তন: রমজানে সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত নির্ধারণ করায় সব কর্মজীবী একই সময়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এর ফলে বিকেলে গুলিস্তান মোড়ে জনস্রোত আছড়ে পড়ে।
যানবাহন সংকট ও বাড়তি ভাড়া: বিকেলের দিকে বাসের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কমে যায়। অনেক বাস মোড়ে না দাঁড়িয়েই চলে যায়, ফলে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এই সুযোগে সিএনজি বা রিকশা চালকরা দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া দাবি করে।
হকার ও অবৈধ পার্কিং: গুলিস্তানের ফুটপাত ছাপিয়ে রাস্তা পর্যন্ত হকারদের দখল এবং যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলার কারণে যানজট কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
মেট্রোরেলের সীমাবদ্ধতা: যদিও মেট্রোরেল মতিঝিল পর্যন্ত চালু হয়েছে এবং রমজানে রাত ৯:৩০/১০:১০ পর্যন্ত চলবে, কিন্তু গুলিস্তান এলাকার বিশাল একটি অংশ এখনো সরাসরি এর আওতার বাইরে থাকায় বাসের ওপর চাপ কমছে না।
সাধারণ মানুষের বর্তমান অবস্থা
"রোজার দিনে ইফতারের আগে বাসায় পৌঁছানো যেন একটা যুদ্ধ। গুলিস্তানে বাসে ওঠার কোনো জায়গা থাকে না, আর ভাড়া তো আকাশচুম্বী।" — একজন নিয়মিত যাত্রী।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় হতে পারে:
বিশেষ বাস সার্ভিস: বিকেলের ব্যস্ত সময়ে বিআরটিসি (BRTC) বা বেসরকারি বাস মালিকদের পক্ষ থেকে শাটল বাস বাড়ানো।
রাস্তা দখলমুক্ত রাখা: গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত রাস্তা হকারমুক্ত রাখা।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: ইফতারের ঠিক আগে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং বন্ধ করা।