ভোটের মাঠে পরস্পর ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী। একে অপরের বিরুদ্ধে রেখেছেন বক্তব্য, ছিল পাল্টাপাল্টি অভিযোগও। তবে নির্বাচনের পর দিয়েছেন সম্প্রীতির বার্তা। সিলেট-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও বিজিত জামায়াতের মাওলানা হাবিবুর রহমানের মধ্যে সেই সৌহার্দ্যের দৃশ্য দেখা গেছে।
শুক্রবার দুপুরে খন্দকার মুক্তাদির ছুটে যান মাওলানা হাবিবুর রহমানের বাসায়। কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ ও কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে বিজয়ী মুক্তাদিরকে বরণ করেন হাবিবুর রহমান।
মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে ৪১ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বিজয়ের পর শুক্রবার দুপুরে নগরের শিবগঞ্জ লামাপাড়াস্থ মাওলানা হাবিবুর রহমানের বাসায় যান মুক্তাদির। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। মুক্তাদির আসার খবর পেয়ে বাসার বাইরে বের হয়ে তাকে স্বাগত জানান মাওলানা হাবিব। কোলাকুলি শেষে বিএনপি নেতাদের বাসায় নিয়ে যান তিনি। পরে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে অভিনন্দন জানান।
সিলেটসহ দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতির জন্য মুক্তাদিরকে সঙ্গে নিয়ে মোনাজাত করেন মাওলানা হাবিবুর রহমান। এ সময় হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সিলেট সম্প্রীতির শহর। এখানে সবাই মিলেমিশে চলি। নির্বাচনী প্রচারকালেও আমি মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে কিছু বলিনি। আশা করি তিনি সিলেটের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।’
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, আমাদের রাজনৈতিক মতভেদ আছে। তবে সিলেটের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি সবাইকে নিয়েই কাজ করার চেষ্টা করবো।