নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোহা. শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে। গাজীপুর বিএনপিসহ ১৪টি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আজ (১৩ আগস্ট) বুধবার সকালে রেজিস্ট্রার ড. শফিকুলের পূর্বনির্ধারিত বিদায়ী অনুষ্ঠান বানচাল করে দেয়। পরে অডিটোরিয়ামের গেটে তালা লাগিয়ে প্রতিবাদ করে তারা।
এ সময় উপস্থিত ডিন ও পরিচালকদের উদ্দেশ্যে নেতাকর্মীরা বলেন, কোন ফ্যাসিস্ট, দালাল দুর্নীতিবাজের জন্য মায়া কান্না দেখানোর জন্য সরকার আপনাদের বাউবিতে নিয়োগ দেয়নি।
ড. শফিকুল ও উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার শেখ সাদেকুর রহমান বিগত আমলে যোগসাজশ করে নিয়োগ, বদলি বাণিজ্য করেছে। মালি, পিওনসহ তারা ৪০ জনের অধিক নিয়োগ দিয়েছেন। সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট সাথে করে নিয়ে এসেছি, ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গকে দেখাবো আজ। যুগ্ম পরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ এই দুইজন হয়রানিমূলক বদলি করেছে আমাদের লোকদের। পুরো প্রশাসন বিভাগ স্বজন আর আওয়ামীকরণ করে রেখেছে রেজিস্ট্রার। সে শুধু নিজের স্বার্থ রক্ষায় সকল দলের লোকজনকে ব্যবহার করতো।
এ সময় টংগী বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাজারী, সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন এবং ১৪ দলসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। শেষে তারা উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইদ ফেরদৌসের সাথে দেখা করেন ও অধিক তদন্ত সাপেক্ষে রেজিস্ট্রার ড. শফিকুল আলমের সকল অনিয়ম দুর্নীতির দলিলাদি জমা দিয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ওই অনুষ্ঠানের মুখপাত্র ও বাউবির যানবাহন শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. মেসবাহ উদ্দিন বলেন, সকালে একদল রাজনৈতিক নেতা এসেছিলেন। তাদের দাবি অনুযায়ী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে আমরা বাধ্য হই।