বর্তমান বিশ্বে চাকরির বাজার দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন ও ডিজিটাল অর্থনীতির প্রভাবে অনেক পুরনো পেশা হারিয়ে যাচ্ছে, আবার নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। এই পরিবর্তনের যুগে টিকে থাকতে তরুণদের প্রয়োজন নতুন দক্ষতা, অভিযোজন ক্ষমতা এবং ধারাবাহিক শিক্ষার মানসিকতা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজকের তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো শেখার ইচ্ছা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা। তবে শুধু ডিগ্রির ওপর নির্ভর করলে আর হবে না; এখন সময় “দক্ষতা নির্ভর শিক্ষা” গ্রহণের।
বাংলাদেশের চাকরি বাজারে দেখা যাচ্ছে— তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল মার্কেটিং, কারিগরি শিক্ষা, সাইবার সিকিউরিটি, গ্রাফিক ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন খাতে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তরুণদের জন্য এখন মূল চাবিকাঠি হলো স্মার্ট স্কিলস— যেমন, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধান, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের গুণ।
আগামী পাঁচ বছরে যে চাকরিগুলো থাকবে, তার অনেকগুলো এখনো তৈরি হয়নি। তাই শেখা বন্ধ করা মানে পিছিয়ে পড়া।
বিশ্লেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন— তরুণদের উচিত অনলাইন কোর্স, ইন্টার্নশিপ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ ও প্রকল্পভিত্তিক শেখার সুযোগ গ্রহণ করা।
সাথে সাথে প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দলগত কাজের মানসিকতাও বজায় রাখা জরুরি।
তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার ৫টি টিপস:
1. নতুন প্রযুক্তি শেখায় আগ্রহী হও
2. যোগাযোগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়াও
3. অনলাইন সার্টিফিকেট কোর্স করো
4. ছোট প্রকল্পে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করো
5. চাকরির চেয়ে দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দাও