1. sdamit152@gmail.com : Amit Sutradhar : Amit Sutradhar
  2. anandahotcool@gmail.com : Ananda Dada : Ananda Dada
  3. BishwajitSutradhar2687@gmail.com : Bishwajit Sutradhar : Bishwajit Sutradhar
  4. admin@dailyajkernews.com : dacaught :
  5. dinmdrajib2016@gmail.com : Din Md Rajib : Din Md Rajib
  6. mdpallabsarkar6@gmail.com : MD Pallab Shorwer : MD Pallab Shorwer
  7. padistsagor1234@gmail.com : Sagor Badhsa : Sagor Badhsa

শিরোনাম
আজ আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি স্কাইডাইভিংয়ে সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের বাংলাদেশ সীমান্তে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিমানঘাঁটি নেটওয়ার্ক ফের চালু করবে ভারত মমতাজ বেগমের ৩ বাড়িসহ জমি জব্দের নির্দেশ আদালতের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্নার মাগফেরাত কামনা ও শীতার্তের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন ঢাকা-১৫ আসনে ২০২৬ নির্বাচনে দুই শফিকের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ভিপি আয়নুল হক সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ২য় সমাবর্তনে ওয়ারফেইজের জমকালো পারফরম্যান্স জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত, স্বর্ণপদক পেলেন ৯৬ কৃতি শিক্ষার্থী মাইক্রোবায়োলজি টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি: প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন

মৎস্য আহরণ বন্ধে দ্রুত কমিটি গঠনের নির্দেশ

রিপোটারের নাম / ৩৯৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা মিজ্ ফরিদা আখতার বলেছেন, আমাদের বড় সমস্যা হলো মৎস্য আহরণ বন্ধকালীন ভারতীয় জেলেরা অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরছে। অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য আমরা ভারত সরকাকে পূর্বেই এবিষয়ে জানাতে হবে।

মৎস্য আহরণ বন্ধে সময় নির্ধারনে তিনি মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, নৌবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি প্রজননের সঠিক সময় ও মৎস্য আহরণ বন্ধে বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটকে আরো গবেষণা করে গবেষণার ফলাফল জনগণকে জানানোর পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।

আজ সকালে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে “বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ বন্ধকালীন সময় পুনঃনির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালায়” প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেছেন। উপদেষ্টা বলেন, ইলিশ আমাদের প্রকৃতিক সম্পদ, আল্লাহর দান। ইলিশ ডিম ছাড়ার পর বড় হওয়ার জন্য সুযোগ দিতে হবে এক্ষেত্রে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে।

মৎস্যজীবীরা আমাদের আমিষের যোগান দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে জেলেদের সুবিধা অন্যদিকে মাছ রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও এমনকি পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া গেলেও দাম কমছেনা। এক্ষেত্রে ইলিশ আহরণ, সরবারহ, বিপনণ, সংরক্ষণ প্রভৃতি জড়িত। আমরা জনগণকে খাওয়াতে পারছি কীনা সেখানে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ বন্ধে যতই নির্ধারণ করিনা না কেন, যদি আমরা মাছ ধরার জাল নিয়ন্ত্রণ না করি কোন পদক্ষেপই কাজ হবেনা।

জাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে মুন্সিগন্জে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে অভিযান ও জরিমানা অব্যাহত রয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবো তারা যেন জাল উৎপাদনের সাথে জড়িত কারখানাগুলোতে কোন লাইসেন্স না দেয়। সমুদ্রে ট্রলার দিযে যারা মাছ ধরেন তাদের আরো সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

তাদের সমুদ্র সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে মাছ এবং সমুদ্র রক্ষার আহ্বান জানান তিনি। বক্তারা বলেন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও নির্বিঘ্ন প্রজননের নিমিত্ত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত পদ্ধতি। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও জাটকা সংরক্ষণের ন্যায় সমুদ্রে মৎস্য প্রজাতির সফল প্রজনন ও প্রজননোত্তর সংরক্ষণ করা হলে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের আহরণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে গবেষকগণ সুপারিশ করেন।

মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.টি.এম. মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সুরাইয়া আখতার জাহান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, বিশেষঙ্গ বিজ্ঞানীগণ, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ